সব জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আগামী ১২
মার্চ মহাসমাবেশ মঞ্চ থেকেই আসছে জোট সম্প্রসারণের ঘোষণা। ওই দিনই
সম্প্রসারিত নতুন জোটের নাম ঘোষণা করবেন বিরোধী দলের নেতা ও বিএনপি
চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।
চারদলীয় জোট নেতা বিএনপি, তাদের জোট শরিক ও সমমনা দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জোট সম্প্রসারণে জোরালো আভাসই পাওয়া গেছে।
তারা এও জানিয়েছেন, জোট সম্প্রসারণের ঘোষণাপত্র তৈরি কাজ এরই মধ্যে অনেকটাই এগিয়ে নিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আগামী ১২ মার্চই ওই ঘোষণাপত্র পাঠ করা হবে।
বস্তুত দীর্ঘ দিন ধরে ঝুলে থাকা চার দলীয় জোট সম্প্রসারণের বিষয়ে গত ২১ ফেব্রুয়ারি গ্রিন সিগন্যাল দেন বিএনপি প্রধান। ওই দিন গুলশানে তার রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৈঠককালে ‘চল চল ঢাকা চল কর্মসূচির মঞ্চ থেকে জোট সম্প্রসারণের ঘোষণা দেওয়া হবে বলে সমমনাদের আশ্বাস দেন তিনি।
সূত্রমতে, ১২ মার্চ ‘চল চল ঢাকা চল’ কর্মসূচি সফল করতে ধারাবাহিক মতবিনিময় সভার অংশ হিসেবে গত ২১ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টায় চারদলীয় জোটের শরিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন খালেদা জিয়া।
ওই বৈঠকে ‘চল চল ঢাকা চল’ কর্মসূচি সফল করার বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি দীর্ঘ দিন ধরে ঝুলে থাকা জোট সম্প্রসারণের বিষয়েও কেউ কেউ কথা বলেন। একই সঙ্গে জোট সম্প্রসারণে কালক্ষেপণ নিয়ে সমমনাদের মধ্যে বিরাজমান হতাশার বিষয়টিও খালেদা জিয়াকে অবহিত করা হয়।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে চারদলীয় জোট শরিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ওই দিন রাতেই (২১ ফেব্রুয়ারি) সমমনা ১০টি দল অর্থাৎ- বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মহাসচিব আব্দুল মালেক চৌধুরী, জাতীয় গণতান্ত্রিক দল (জাগপা) সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নীলু, সাধারণ সম্পাদক ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি, মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের চেয়ারম্যান শায়েখ আব্দুল মবিন, মহাসচিব মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, এনডিপি চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মজুমদার, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের নির্বাহী সভাপতি এএইচএম কামরুজ্জামান খান, সাধারণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুল মবিন, সাধারণ সম্পাদক এমএ রশিদ প্রধান ও ন্যাপ ভাসানীর সাধারণ সম্পাদক হাসরত খান ভাসানীর সঙ্গে বৈঠককালে খালেদা জিয়া নিজে থেকেই জোট সম্প্রসারণের বিষয়টি উত্থাপন করেন।
কেবল তাই নয়, আগামী ১২ মার্চ ‘চল চল ঢাকা চল’ কর্মসূচির মঞ্চ থেকেই সম্প্রসারিত নতুন জোটের নাম ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
সূত্র আরও জানায়, ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আগে থেকে দেওয়া ঘোষণাপত্র তৈরির কাজও ১২ মার্চের মধ্যেই শেষ করার তাগিদ দেন খালেদা জিয়া।
এদিকে খালেদা জিয়ার প্রতিশ্রুতিতে সমমনাদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। কালক্ষেপণে যে হতাশার সৃষ্টি হয়েছিল তা অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছেন তারা। সম্প্রসারিত নতুন জোটে নিজেদের ঠাঁই হচ্ছে-এমন আশায় বুক বেঁধেছেন সমমনা রাজনৈতিক দলের নেতারা।
গত ২১ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার কাছ থেকে গ্রিন সিগনাল পাওয়ার পর চার দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর পাশাপাশি এলডিপি (অলি আহমেদ বীর বিক্রম, অধ্যাপিকা জাহানারা বেগম), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি (সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বীর প্রতীক, আব্দুল মালেক চৌধুরী), জাগপা (শফিউল আলম প্রধান, খন্দকার লুৎফর রহমান), এনপিপি (শেখ শওকত হোসেন নীলু, ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ), বাংলাদেশ ন্যাপ (জেবেল রহমান গানি, এম গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া), জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ (শায়েখ আব্দুল মবিন, মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস), এনডিপি (খন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, আলমগীর মজুমদার), বাংলাদেশ লেবার পার্টি-(ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, হামদুল্লাহ আল মেহেদী), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (এএইচএম কামরুজ্জামান খান, আতিকুল ইসলাম), বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টি (অ্যাডভোকেট আব্দুল মবিন, এম এ রশিদ প্রধান) ও ন্যাপ ভাসানী (শেখ আনোয়ারুল হক, হাসরত খান ভাসানী) সমমনা এই ১১ টি দলকেও ‘চল চল ঢাকা চল’ কর্মসূচির জন্য গঠিত শৃঙ্খলা, আপ্যায়ন, প্রচার ও জনসংযোগসহ বিভিন্ন উপকমিটিতে রেখেছে ঢাকা মহানগর বিএনপি।
এ ব্যাপারে এনপিপির চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নীলু বলেন, ‘ম্যাডাম নিজে মুখে বলেছেন ১২ মার্চ মহাসমাবেশ মঞ্চ থেকে নতুন জোটের ঘোষণা দেবেন। তা ছাড়া মহাসমাবেশ সফল করার জন্য গঠিত উপকমিটিগুলোতে সমমনাদের স্থান দেওয়া দেখে মনে হচ্ছে ১২ মার্চ-ই জোট সম্প্রসারণ চূড়ান্ত হচ্ছে।’
প্রসঙ্গত, ক্ষমতাসীন মহাজোটকে মোকাবেলার জন্য গত বছর জুলাই থেকে জোট সম্প্রারণের উদ্যোগ নেন খালেদা জিয়া। পর্যায়ক্রমে বৈঠক করেন সাবেক রাষ্টপতি ও বিকল্প ধারার চেয়ারম্যান ডা. অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী, এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমেদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিমের সঙ্গে।
এছাড়া গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আব্দুর রবের মতো জাতীয় নেতাদেরও সম্প্রসারিত নতুন জোটে আসার আহ্বান জানান খালেদা জিয়া।
কিন্তু জামায়াতের সম্পৃক্ততা ও দলীয় আদর্শের কারণে বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী, বদরুদ্দোজা চৌধুরী, আ স ম আব্দুর রব, ড. কামাল হোসেন খালেদার নেতৃত্বাধীন জোটে আসতে আগ্রহ দেখাননি। এর ফলে খালেদা জিয়াও জোট সম্প্রসারণে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। শেষ পর্যন্ত কমিটমেন্ট রক্ষায় জোট সম্প্রসারণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে বিএনপি প্রধানকে।
চারদলীয় জোট নেতা বিএনপি, তাদের জোট শরিক ও সমমনা দলগুলোর নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জোট সম্প্রসারণে জোরালো আভাসই পাওয়া গেছে।
তারা এও জানিয়েছেন, জোট সম্প্রসারণের ঘোষণাপত্র তৈরি কাজ এরই মধ্যে অনেকটাই এগিয়ে নিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আগামী ১২ মার্চই ওই ঘোষণাপত্র পাঠ করা হবে।
বস্তুত দীর্ঘ দিন ধরে ঝুলে থাকা চার দলীয় জোট সম্প্রসারণের বিষয়ে গত ২১ ফেব্রুয়ারি গ্রিন সিগন্যাল দেন বিএনপি প্রধান। ওই দিন গুলশানে তার রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৈঠককালে ‘চল চল ঢাকা চল কর্মসূচির মঞ্চ থেকে জোট সম্প্রসারণের ঘোষণা দেওয়া হবে বলে সমমনাদের আশ্বাস দেন তিনি।
সূত্রমতে, ১২ মার্চ ‘চল চল ঢাকা চল’ কর্মসূচি সফল করতে ধারাবাহিক মতবিনিময় সভার অংশ হিসেবে গত ২১ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮টায় চারদলীয় জোটের শরিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন খালেদা জিয়া।
ওই বৈঠকে ‘চল চল ঢাকা চল’ কর্মসূচি সফল করার বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি দীর্ঘ দিন ধরে ঝুলে থাকা জোট সম্প্রসারণের বিষয়েও কেউ কেউ কথা বলেন। একই সঙ্গে জোট সম্প্রসারণে কালক্ষেপণ নিয়ে সমমনাদের মধ্যে বিরাজমান হতাশার বিষয়টিও খালেদা জিয়াকে অবহিত করা হয়।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে চারদলীয় জোট শরিকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে ওই দিন রাতেই (২১ ফেব্রুয়ারি) সমমনা ১০টি দল অর্থাৎ- বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির মহাসচিব আব্দুল মালেক চৌধুরী, জাতীয় গণতান্ত্রিক দল (জাগপা) সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নীলু, সাধারণ সম্পাদক ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি, মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের চেয়ারম্যান শায়েখ আব্দুল মবিন, মহাসচিব মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, এনডিপি চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মজুমদার, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের নির্বাহী সভাপতি এএইচএম কামরুজ্জামান খান, সাধারণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুল মবিন, সাধারণ সম্পাদক এমএ রশিদ প্রধান ও ন্যাপ ভাসানীর সাধারণ সম্পাদক হাসরত খান ভাসানীর সঙ্গে বৈঠককালে খালেদা জিয়া নিজে থেকেই জোট সম্প্রসারণের বিষয়টি উত্থাপন করেন।
কেবল তাই নয়, আগামী ১২ মার্চ ‘চল চল ঢাকা চল’ কর্মসূচির মঞ্চ থেকেই সম্প্রসারিত নতুন জোটের নাম ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।
সূত্র আরও জানায়, ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আগে থেকে দেওয়া ঘোষণাপত্র তৈরির কাজও ১২ মার্চের মধ্যেই শেষ করার তাগিদ দেন খালেদা জিয়া।
এদিকে খালেদা জিয়ার প্রতিশ্রুতিতে সমমনাদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। কালক্ষেপণে যে হতাশার সৃষ্টি হয়েছিল তা অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছেন তারা। সম্প্রসারিত নতুন জোটে নিজেদের ঠাঁই হচ্ছে-এমন আশায় বুক বেঁধেছেন সমমনা রাজনৈতিক দলের নেতারা।
গত ২১ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়ার কাছ থেকে গ্রিন সিগনাল পাওয়ার পর চার দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর পাশাপাশি এলডিপি (অলি আহমেদ বীর বিক্রম, অধ্যাপিকা জাহানারা বেগম), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি (সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিম বীর প্রতীক, আব্দুল মালেক চৌধুরী), জাগপা (শফিউল আলম প্রধান, খন্দকার লুৎফর রহমান), এনপিপি (শেখ শওকত হোসেন নীলু, ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ), বাংলাদেশ ন্যাপ (জেবেল রহমান গানি, এম গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া), জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ (শায়েখ আব্দুল মবিন, মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস), এনডিপি (খন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, আলমগীর মজুমদার), বাংলাদেশ লেবার পার্টি-(ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, হামদুল্লাহ আল মেহেদী), বাংলাদেশ মুসলিম লীগ (এএইচএম কামরুজ্জামান খান, আতিকুল ইসলাম), বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টি (অ্যাডভোকেট আব্দুল মবিন, এম এ রশিদ প্রধান) ও ন্যাপ ভাসানী (শেখ আনোয়ারুল হক, হাসরত খান ভাসানী) সমমনা এই ১১ টি দলকেও ‘চল চল ঢাকা চল’ কর্মসূচির জন্য গঠিত শৃঙ্খলা, আপ্যায়ন, প্রচার ও জনসংযোগসহ বিভিন্ন উপকমিটিতে রেখেছে ঢাকা মহানগর বিএনপি।
এ ব্যাপারে এনপিপির চেয়ারম্যান শেখ শওকত হোসেন নীলু বলেন, ‘ম্যাডাম নিজে মুখে বলেছেন ১২ মার্চ মহাসমাবেশ মঞ্চ থেকে নতুন জোটের ঘোষণা দেবেন। তা ছাড়া মহাসমাবেশ সফল করার জন্য গঠিত উপকমিটিগুলোতে সমমনাদের স্থান দেওয়া দেখে মনে হচ্ছে ১২ মার্চ-ই জোট সম্প্রসারণ চূড়ান্ত হচ্ছে।’
প্রসঙ্গত, ক্ষমতাসীন মহাজোটকে মোকাবেলার জন্য গত বছর জুলাই থেকে জোট সম্প্রারণের উদ্যোগ নেন খালেদা জিয়া। পর্যায়ক্রমে বৈঠক করেন সাবেক রাষ্টপতি ও বিকল্প ধারার চেয়ারম্যান ডা. অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী, এলডিপি চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) ড. অলি আহমেদ বীর বিক্রম, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইব্রাহিমের সঙ্গে।
এছাড়া গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আব্দুর রবের মতো জাতীয় নেতাদেরও সম্প্রসারিত নতুন জোটে আসার আহ্বান জানান খালেদা জিয়া।
কিন্তু জামায়াতের সম্পৃক্ততা ও দলীয় আদর্শের কারণে বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী, বদরুদ্দোজা চৌধুরী, আ স ম আব্দুর রব, ড. কামাল হোসেন খালেদার নেতৃত্বাধীন জোটে আসতে আগ্রহ দেখাননি। এর ফলে খালেদা জিয়াও জোট সম্প্রসারণে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। শেষ পর্যন্ত কমিটমেন্ট রক্ষায় জোট সম্প্রসারণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে বিএনপি প্রধানকে।

0 comments:
Post a Comment