Thursday, March 8, 2012

I'm In Dhaka city


Dear Friends,
I'm the man of Bagerhat.একটা সামান্ন্য চাকরী করি বলে ঢাকায় থাকি। ঢাকা আমার মোটেও পছন্দ হয়নি। নোঙরা, ময়লা, আবর্জনার শহর। জানজট আর ধুলার শহর। প্রন্তিক এবং হতদরিদ্র লোকের শহর। 


তবে সব কিছুই খারাপ না। অনেক ভালো গুন ও রয়েছে।


এই ভালো এবং খারাপ এ বিষয়গুলো সকলর সাথে ভাগ করার লক্ষে আমার ঢাকা শহর নিয়ে এই ব্লগ।


ভালো খারাপ যাই লাগুক আমাকে জানালে কৃতঘ্ন খাকবো।


Masum
Elephant Road, Dhaka.

ডিজিটাল সরকার


মাত্র দু’টি বিষয়ের প্রতি প্রিয় পাঠক, আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

বিষয় এক : উপদেষ্টা পরিষদ-
পৃথিবীর অনেক দেশেই সরকারের উপদেষ্টা রয়েছেন, যারা প্রয়োজনে সরকারকে বুদ্ধি-পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করেন। তবে তারা কখনোই সরকারের মুখপাত্রের ভূমিকা পালন করেন না। এ কাজ, মুখ্য প্রেসসচিব কিংবা স্ব স্ব দফতরের মন্ত্রী, প্রতি-মন্ত্রীদের। উপদেষ্টারা কখনোই মন্ত্রীদের কাজকর্মে নাক গলাতে যান না। ফলে বিদেশে কখনোই দেখা যায় না যে, মন্ত্রীদের সঙ্গে উপদেষ্টাদের সাংঘর্ষিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছে।

দুঃখের বিষয় যে, আমাদের দেশেও সরকার পরিচালনার জন্যে দু’টো পরিষদ রয়েছে। একটি মন্ত্রী পরিষদ এবং অন্যটি উপদেষ্টা পরিষদ। দু’টো পরিষদই প্রধানমন্ত্রীর অধীন। মন্ত্রী পরিষদের অধিকাংশই জনগণের ভোটে নির্বাচিত আর উপদেষ্টারা প্রধানমন্ত্রীর করুণায় চাকরিপ্রাপ্ত। তবে অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, আমাদের দেশে তারাই যেন ‘ইনভিজিবল গভর্নমেন্ট’। এইসব উপদেষ্টা নামের কথিত ব্যক্তিদের প্রায় সবাই (অব.) আমলা বা (অব.) সামরিক কর্তা বা (অব.) চিকিৎসক। প্রধানমন্ত্রী এক অজানা কারণে এইসব অনির্বাচিত অব.দের উপরই বেশি নির্ভরশীল। আর এই আমলা-নির্ভরতার কারণেই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ক্রমান্বয়ে জনগণ থেকে দূরে সরে যাচ্ছেন। উপদেষ্টারা প্রধানমন্ত্রীকে প্রয়োজনে উপদেশ দেবার পরিবর্তে মিডিয়ার সামনে অপ্রয়োজনে প্রতিটি ব্যাপারে ‘বকর-বকর’ করে যাচ্ছেন। যা তাদের কর্তব্যের আওতায় পড়ে না। অনির্বাচিত হয়েও তাঁরা মন্ত্রণালয় এমন কি মন্ত্রীর উপর  ‘খবরদারি’ করার ধৃষ্টতা দেখান। এতে দেশ, সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। মন্ত্রী পরিষদের সদস্যদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে তৈরি হচ্ছে অন্তরায়। এর মধ্যে দু’একজন এমন  ‘বেকুবি ভাষায়’ কথা বলেন যে, শুনলে মনে হয় ‘ব্যাটা অন্যদেশের উপদেষ্টা আমাদের দেশের নয়’। প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য উপদেষ্টা, পররাষ্ট্র উপদেষ্টার অপ্রয়োজনীয় অতিকথন তালিকার শীর্ষে। তবে এদের সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন  (অব.) আমলা উপদেষ্টা এইচটি ইমাম। হেন বিষয় নেই যে বিষয়ে তিনি  ‘বাণী’ দিচ্ছেন না। সর্ব বিষয়ে তাঁর বাগাড়ম্বর-প্রিয়তা দেখে মনে হয় যে, তিনি আমাদের দেশের ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী!

এদের প্রশ্রয় দেওয়ার ফলে ‘বাঁদর যেমন লাই পেলে মাথায় উঠে নাচে’ উপদেষ্টারাও তেমনি একটি নির্বাচিত সরকারের মাথার উপর উঠে নেচে চলেছেন।

অনির্বাচিত উপদেষ্টাদের ‘বাঁদরনাচে’ আমার আপত্তি নেই। তবে সমস্যা হচ্ছে, নির্বাচিত না হয়েও এরা যখন নির্বাচিত হয়ে আসা মন্ত্রীদের উপর ছড়ি ঘোরান। দুঃখ হয় যখন দেখি,  ‘দে পুট দেয়ার ডার্টি নোজ এভরিহোয়ার!’ আমাদের দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কে? গওহর রিজভী না দীপু মনি? সঠিক উত্তর যদি দীপু মনি হয় তাহলে রিজভী সাহেবকে মিডিয়ার সঙ্গে পররাষ্ট্র বিষয়ে এত কথা বলার অনুমতি কে দিয়েছে? উপদেষ্টাদের দায়িত্ব হওয়া উচিত প্রধানমন্ত্রীকে উপদেশ দেয়া। মিডিয়ার সামনে এসে বকবক করা নয়। যদি প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রী কাউকে বিদেশে কূটনৈতিক দায়িত্ব দিয়ে পাঠান- দেশে ফিরে এসে তার উচিত প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে এর সাফল্য বা ব্যর্থতা অবহিত করা। তার আগেই মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলা তার দায়িত্বের আওতায় পড়ে কি?

এবং দুই :
মিডিয়ার কথা উঠলো যখন- একটা কথা বলা খুব সঙ্গত মনে করছি। পত্রিকায় দেখলাম, আমাদের প্রধানমন্ত্রী দেশের বুদ্ধিজীবী কিছু কবি-সাহিত্যিক, শিল্পী, সাংবাদিক-সম্পাদককে এক বৈকালিক ‘আড্ডায়’ ডেকেছেন। বলা নিষ্প্রয়োজন- [আমন্ত্রিতদের তালিকা দেখে মনে হল] এরা বলতে গেলে সবাই আওয়ামী ঘরানার। এদের অধিকাংশই আওয়ামী লীগের  ‘খয়ের খাঁ’ আর প্রধানমন্ত্রীর  ‘জ্বি আপা’ টাইপ বুদ্ধিজীবী। বিএনপিপন্থি রিয়াজউদ্দিন আহমেদের মতো দু’একজনকে রাখা হয়েছে জাস্ট  ‘শো-পিস’ হিসেবে। আমি  ‘রোম পুড়ে যাচ্ছে আর নিরো বাঁশি বাজাচ্ছে’ কি বাজাচ্ছে না তা বলছি না বরং বিস্মিত হয়েছি দেখে যে, প্রায়  ‘যাই-যাই সময়’-এ এসে প্রধানমন্ত্রীর হঠাৎ মনে পড়লো  ‘এই শ্রেণীর লোকদের’ সঙ্গে দেখা করা দরকার! প্রধানমন্ত্রীর চারপাশ ঘিরে এখন প্রেতের নৃত্য, সদা চাটুকার পরিবেষ্টিত প্রধানমন্ত্রী টেরও পাচ্ছেন না যে, তাঁকে ঘিরে নৃত্য করে চলেছে অমাবস্যার কালো অন্ধকার। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতা নিয়ে সন্দেহ করছি না তবে এই ধরনের আন্তরিকতা আরো আগে দেখানো কি জরুরি ছিল না? ছিল। তবে একটি সূত্র থেকে জানা গেছে, একজন প্রাক্তন সাংবাদিক প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মিডিয়া তথা দেশের বরেণ্য কবি-সাহিত্যিক-শিল্পী-বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে একটি অদৃশ্য ‘দেয়াল’ তুলে দিয়েছেন। যে কারণে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বুদ্ধিজীবীদের তৈরি হয়েছে এক অলঙ্ঘনীয় দূরত্ব।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নিয়োগপ্রাপ্ত এক ‘বিশেষ সহকারীর’ প্রচেষ্টায় এই ‘দূরত্ব’ বিমোচন আর  ‘বরফ গলানো’র উদ্যোগ নেওয়া হয়। যার যোগসূত্রেই প্রধানমন্ত্রীর এই বৈকালিক  ‘আড্ডা’। তবে জানা গেছে, আমন্ত্রিত অতিথিদের  ‘লিস্ট’ বানানোর ক্ষেত্রেও কলকাঠি নাড়িয়েছেন অই গুণধর প্রাক্তন সাংবাদিক।

প্রধানমন্ত্রীর এই তথাকথিত  ‘আড্ডায়’ কাকে ডাকা হবে আর কাকে ডাকা হবে না তা-ও নির্ধারণ করেছেন এই প্রাক্তন সাংবাদিক। আমন্ত্রণের জন্যে ব্যক্তি বিশেষের ক্ষেত্রে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্কের  ‘অম্ল-মধুর-মাদকতা’ প্রাধান্য পেয়েছে। আর এই কারণেই আমন্ত্রণ পাননি এদেশের বরেণ্য কথা সাহিত্যিক, সাংবাদিকদের অনেকেই।  প্রধানমন্ত্রী দেশকে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ করে তোলার স্বপ্ন দেখছেন অথচ তাঁর তলপিবাহকের একি  ‘এনালগ’ আচরণ!


স্বাধীনতার মাসে উত্তপ্ত রাজধানী


মহান স্বাধীনতার মাসে উত্তপ্ত রাজধানী। অতীতের যেকোনো সময় বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে এবারের মহাসমাবেশগুলোর তাৎপর্য ভিন্ন। বেশির ভাগ সমাবেশের দাবি অধিকার আদায়ের।

সমাবেশগুলোর ভিন্নতা হলো- এই প্রথম সাংবাদিক সমাজ ন্যায় বিচারের দাবি নিয়ে রাজধানীতে মহাসমাবেশ করতে যাচ্ছেন। সোমবার ফেনীর উদ্দেশে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের নেতৃত্বে লংমার্চ চলছে।

৭ মার্চ খোদ শাসকদল আওয়ামী লীগের গণমিছিল। গণমিছিলের দাবি হলো- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ত্বরান্বিত করা।

১২ মার্চ বিরোধীদলের ‘চলো চলো ঢাকা চলো’ কর্মসূচি। লক্ষ্য- তত্ত্বাবধায়ক বা অন্তর্বর্তী সরকারের দাবি। ১৪ মার্চ বামদলগুলোর মহাসমাবেশ। দাবি হলো যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। ১৮ মার্চ সাংবাদিকদের মহাসমাবেশ। দাবি হলো- সাগর-রুনি হত্যাকারীদের গ্রেফতার ও ন্যায় বিচার এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা।

১৯৭১ সালে ৯ মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হয়েছে আমাদের মাতৃভূমি বাংলাদেশের। স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশের মানুষ দু’বেলা-দু’মুঠো ভাত খেয়ে শান্তিতে নিদ্রা যাবে। কিন্তু স্বাধীনতার পরপরই জাতির জনককে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। এরপর খুন হন আরেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

দেশের স্বাধীনতায় নেতৃত্ব দিয়েছে আওয়ামী লীগ। বিএনপি সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় তারা যুদ্ধাপরাধী জামায়াত নেতাদের সঙ্গে একমঞ্চে বক্তব্যও দিয়েছেন। এর প্রতিশোধ নিতে গিয়ে বিএনপি জামায়াত নেতাদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা উপহার দিয়েছে।

এদিকে অভিযুক্ত করা হচ্ছে, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের আশ্রয় দিয়েছেন জিয়া ও এরশাদ। জিয়ার খুনিদের আংশিক বিচার হলেও পরিপূর্ণ বিচার হয়নি। ৯ বছর দেশ শাসন করেছেন সামরিক শাসক এরশাদ। দুই নেত্রী মিলে এরশাদকে জেলে পুরেছেন। আবার ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এরশাদকে কাছেও টানা হয়েছে।

দুই নেত্রীকে জেলে দেওয়ার দায়ে অভিযুক্ত সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারে যারা ছিলেন তাদের মাঝে অনেকে এখনো রাষ্ট্রীয় কোষাগারের টাকায় চলছেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য যারা ২৯ দিন অসহযোগ আন্দোলন করেছেন তারাই এখন বলছেন তত্ত্বাধায়ক সরকারের প্রয়োজন নেই।

যারা এক সময় বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার কি- তারাই এখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করছেন।

তবে দুঃখের বিষয় হলো- ক্ষমতাসীন দল যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য আন্দোলন করছেন রাজপথে। রাষ্ট্রযন্ত্র যাদের হাতে তাদের আন্দোলন কিসের জন্য? কিসের দাবিতে এবং কেন? যুদ্ধাপরাধের বিচরের দাবিতে জাতি ঐক্যবদ্ধ। এই বিচারের বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নেবেন তাদের জাতি কোন দৃষ্টিতে দেখে তা সবাই জানে।

যুদ্ধাপরাধের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে বিরোধীদলের বিরুদ্ধে জনমত চলে যাবে এটি স্পষ্ট। বিরোধীদল যদি যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর জন্য সরকারের বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন তবে জনগণ সরকারের পক্ষেই নামবে।

কিন্তু বর্তমানে বিরোধীদল তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যু নিয়ে মাঠে নেমেছে। যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে জনগণের যেমন সমর্থন রয়েছে তেমনি সমর্থন আছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে।

দুই দলই বলছে, জনগণ তাদের সঙ্গে আছে। সত্যি জনগণ তাদের সঙ্গে রয়েছে। কিন্তু ভিন্ন ইস্যুতে। দেশের রাজনীতির ঘুটি মূলত: কয়েকজনের হাতে। এদিকে সব ভবনেই জনগণ আছে। একবার এই ভবন আরেকবার ওই ভবন। ভবনভিত্তিক ক্ষমতার জন্য জনগণ এখন জিম্মি। গণতন্ত্র বলতে যা বুঝায় তা যেন দিন দিন দূরে সরে যাচ্ছে।

আন্দোলনের নমুনা দেখে মনে হয়, সরকারি দল, বিরোধীদলসহ সবাই আন্দোলনে। আন্দোলন আর আন্দোলন। চারিদিকে এখন আন্দোলনের ডামাডোল। দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র অথচ চলছে চতুর্মুখী আন্দোলন।

সরকারি দল ও বামদলের আন্দোলন বিচারের দাবিতে। বিরোধীদলের আন্দোলন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য। এরশাদের আন্দোলন সার্বভৌমত্ব রক্ষার। জামায়াতের আন্দোলন আত্মরক্ষার।

সরকারের উচিৎ হবে সাংবাদিকদের আন্দোলনের মুখে ঠেলে না দেওয়া। অর্থাৎ বিরোধীদলের আন্দোলনের গতিবৃদ্ধি করার সুযোগ সৃষ্টি করতে না দেওয়া। সাংবাদিকরা রাজনীতি করে না। অবশ্য অনেকে পরোক্ষভাবে রাজনীতি করেন।

সাগর-রুনির লাশ বিভক্ত সাংবাদিক সমাজকে ঐক্যবদ্ধ হবার পথের সন্ধান দিয়েছে। আশাকরি সাংবাদিক সমাজ এই একটি ইস্যুতে ঐক্যবদ্ধ হবে। কারণ দেরিতে হলেও সাংবাদিকরা বুঝতে পেরেছে, তাদের রাজনীতিতে যাওয়া ঠিক নয়।

কারণ রাজনীতি করলে দেশ ও জনগণের জন্য কথা বলা কষ্ট হবে এই জন্য যে, রাজনীতিবিদরা এখন জনগণ ও রাষ্ট্রের চেয়ে বেশি ভালবাসে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতাকে। আমরা জানি, সুনির্দিষ্ট স্বার্থরক্ষার বাধ্যবাধকতা থাকলে সত্য বলা মুশকিল হয়। যতদিন পর্যন্ত মুষ্টিমেয় সাংবাদিক রাজনৈতিক খোলস থেকে বের হতে না পারবে ততদিন পর্যন্ত রাষ্ট্র ও জনগণ শান্তির আশা করতে পারবে না।

আশা করব- সাংবাদিকদের যাতে মহাসমাবেশ করতে না হয় সেদিকে সরকার দৃষ্টি দেবেন। আমরা চাই একটি প্রগতিশীল রাষ্ট্র যেখানে গণতন্ত্র থাকবে। মানুষের মানবাধিকার, ন্যায় বিচার ও নিরাপত্তার নিশ্চয়তা থাকবে।

নিজেদের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলাপ-আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করুন। তবে আর কাউকে বলতে হবে না- পালাবার পথা খুঁজে পাবেন না।